মেছতার সমস্যা -কিভাবে কেন এবং এর সমাধান

বর্তমান সময়ে আমাদের ত্বকে অনেক রকমের সমস্যা ফেস করতে হচ্ছে আর যার মাঝে অন্যতম হচ্ছে মেছতা । যা কিনা আমাদের সুন্দর চেহারার ভেতর সৃষ্টি করে কালো দাগ বা স্পট এর । আসুন প্রথমেই জেনে নেয়া যাক কেন মেছতা হয়ে থাকে

মেছতা হবার কারনঃ

১। মেছতার প্রধান এবং মূল কারন হল সূর্যের আলো। কোন প্রতিরক্ষা ছাড়াই অতিরিক্ত সূর্যের আলোতে গেলে এটি হতে পারে।

২। জন্ম নিয়ন্ত্রের পিল খেলে

৩। থাইরয়েড সমস্যা

৪। হরমোনের তারতম্য

৫। বংশগত কারণে

৬। ত্বক নিয়মিত ভালভাবে পরিষ্কার না করলে

৭। অতিরিক্ত চিন্তা, কাজের চাপ, কম ঘুম ইত্যাদি।

মেছতার চিকিৎসা

এক সময় মেছতার চিকিৎসায় স্কিন লাইটেনিং ক্রিম লোশন, সেরাম ব্যবহার করা হতো। এদের মধ্যে দুই ভাগ বা চার ভাগ হাইড্রোকুইননই বেশি জনপ্রিয়। হাইড্রোকুইননের সঙ্গে ট্রেটিনয়িক এসিড (০.২৫ ভাগ বা ০.০৫ ভাগ), হাইড্রোকর্টিসন যোগ করা হলে চমৎকার ফল পাওয়া যায়। তবে গর্ভাবস্থায় ট্রেটিনয়িক এসিড ব্যবহার নিষিদ্ধ। একসময় এজোলিক এসিডের ব্যবহার করা হতো। সময়ের সঙ্গে যুগের চাহিদা অনুযায়ী মেছতার অনেক আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি আবিষ্কৃত হয়েছে। ইদানীং মাইক্রোডার্মাব্রাসন ও ডায়ামন্ড পিল বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। কখনো কখনো মাইক্রোডার্মাব্রাসনের সঙ্গে বা শুধু একা কেমিকেল পিল-এর পরামর্শ দেন ডার্মাটোলজিস্টরা। ৩০ ভাগ থেকে ৭০ ভাগ গ্লাইকোলিক এসিড বেশি ব্যবহৃত হয়। এসব পদ্ধতি কয়েক সেশন লাগে। পিআরপি, মাইক্রোনিডলিং লেজার-এর মতো আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি বিশ্বের অন্যান্য উন্নত দেশের মতো আমাদের দেশেও শুরু হয়েছে। এসব চিকিৎসার সঙ্গে অবশ্যই ৩০ বা ৫০ এসপিএফ যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। কারণ কোনো চিকিৎসাই কার্যকরী হবে না যদি আপনি নির্দেশাবলি মেনে না চলেন।

আমাদের কিছু পণ্য যা আপনাকে সাহায্য করবেঃ

Free Delivery

On all orders above 2000 TK

Easy returns

Front of Delivery Man

Faster Support Team

24X7 Support Team

100% Secure Checkout

PayPal / MasterCard / Visa